সমাজের মানুষের চোখে নারীরা

সমাজের মানুষের চোখে নারীরা বিভিন্ন রকম। কারো চোখে নারীরা শুটকি মাছের মত, কারো কাছে টেবিলে রেখে দেয়া খাবারের মত, কারো কাছে তেতুলের মত।

এবার আসি এই বিভিন্ন নজরে দেখা লোকদের মতবাত নিয়েঃ
১ শুটকি মাছঃ বিড়ালের সামনে যদি আপনি খোলা অবস্থাতে শুটকি মাছ খোলা অবস্থায় রাখা হয় তবে বিড়াল তো সেই শুটকি মাছ খাবেই।
২ টেবিলে রাখা খাবারঃ টেবিলের খাবার যদি ঢাকনা ছাড়া খোলা অবস্থাতেই রেখে দেয় হয় তবে তাতে মাছি তো পড়বেই।
৩ তেতুলঃ মেয়েরা হচ্ছে তেতুলের মত। তেতুল দেখলে মুখের লালা তো ঝরবেই।

এবার আসি আসল বক্তব্যচে।

১. বিড়ালকে যদি ভাল শিক্ষা দেয়া হয় বা শুটকি সামনে রেখে সকাল বিকাল ঝাটা দিয়ে মাইর দেয়া হয় তবে কিন্তু সামনে রেখে দিলেও তার গন্ধ পর্যন্ত শুকে দেখতে যাবে না। বিদেশের যে ভাল বিড়াল আছে সেসব কিন্তু কখনোই এই কাজ করবে না। কারন সেগুলারে ভালো ট্রেনিং দেয়া হয়ে থাকে, অথবা ভালো জাতের হলেও হয়। কিন্তু আপনি দেখবেন আমাদের যে দেশি বিড়াল আছে ছ্যাচড়া টাইপের বিড়াল হয়ে থাকে এগুলা খুব। এমনকি দেখবেন এসব বিড়াল ঘড়ে এসব বিড়াল আসলে অনেক সময় পায়খানা প্রসাবও করে নোংড়া করে রেখে যায়। সোজা কথা হচ্ছে পরিবেশ দূষণ করে। তবে অনেক দেশি বিড়াল ট্রেনিং দেয়ার পর ভাল হইছে তারও প্রমাণ আছে।

২. টেবিলে যদি ঢাকনা ছাড়া খাবার রাখা হয় তবে মাছি তো বসবেই। এটা একদম গোড়ামি মার্কা কথা। যদি মাছিগুলা এরোসাল বা মাছি মারার ঔষধ দিয়ে মেরে ফেলা হয় তাহলে কিন্তু এই মাছি কখনোই খাবারে বসার সুযোগই না দেয়া হয় তবে কিন্তু সেই মাছি আর কিছুই করতে পারিবে না। আরও এই এরোসালের গ্যাসে আশেপাশে থাকা মাছিও দূরে সরে যাবে।

৩. অন্যের গাছের তেতুল দেখে যদি নিজের জিহ্বা থেকে লালা ঝরে তবে তো এটই খুবই খারাপ লক্ষণ ছাড়া আর কিছুই না। আর যদি এই তেতুল খেতেই চান তবে অন্যের গাছের তেতুল চুরে করে বা জোড় খাটিয়েই খেতে হবে। এছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তাহলে আসল অপরাধী হবে যে অন্যের গাছের তেতুল খেতে যাবে। তার জন্য এই তেতুল লোভীকেই গণপিটুনীর দরকার আছে।

উপরের আলোচনার মাধ্যমে যা সবার সম্মুখে আসল সেটা হচ্ছে আসল অপরাধী হচ্ছে এই বিড়াল, মাছি এবং তেতুল লোভী। তাই শুটকি মাছ, টেবিলে রাখা খাবার এবং তেতুল রক্ষার জন্য বিড়াল, মাছি এবং তেতুল লোভীদেরই শিক্ষার প্রয়োজন। তাদের যেভাবেই শিক্ষা দেয়া লাগে তা দিতে হবে। এই পরিবেশ দূষণকারীদের শায়েস্তা করা হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

Share:

Leave a Reply

All rights reserved by Kid Max.